The woman has also been suffering from house arrest for three weeks

তিন সপ্তাহ ধরে ঘরবন্দি থেকেও নারী করোনা আক্রান্ত

তিন সপ্তাহ ধরে ঘরবন্দি থেকেও নারী করোনা আক্রান্ত

LIKE OUR FACEBOOK PAGE

তিন সপ্তাহ ধরে ঘরবন্দি থেকেও নারী করোনা আক্রান্ত, করোনার ভয়ে তিন সপ্তাহ ধরে বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট শহরের বাসিন্দা রাকহেল ব্রুমমার্ট। কিন্তু করোনা তাকেও ছেড়ে কথা বলেনি। রাকহেলের শরীরেও বাসা বেঁধেছে মারণ ভাইরাস করোনা। বর্তমানে তিনি বাড়িতে থেকেই করোনার চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রাকহেল ব্রুমমার্ট অন্য সাধারণ মানুষের মতো পুরোপুরি সুস্থ নন। কিছুটা অসুস্থ তিনি। ভুগছেন অটোইমিউন ডিসঅর্ডারে। তাই করোনার এই দুঃসময়ে চিকিৎসকদের কথা শুনে নিজেকে ঘরবন্দি করে ফেলেন। তিনি ভাবছিলেন সবকিছু ভালো চলছে। কিন্তু হঠাৎ করেই সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হন। পরে বৃহস্পতিবার করোনার পরীক্ষা হলে তার শরীরে পাওয়া যায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি।

তিন সপ্তাহ বাসায় থেকেও কিভাবে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন? এমন প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেই দিয়েছেন। তার ধারণা, তার বাসায় যে নারী মুদির দোকানের পণ্য পৌঁছে দিয়েছিলেন তার মাধ্যমে হয়তো তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কারণ পণ্য ডেলিভারি করা ওই নারীর শরীরেও করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়।

রাকহেল ব্রুমমার্ট বলেন, ওই নারীর সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ ছিল। এমনকি আমি তাকে স্পর্শও করিনি। কিন্তু আমি যখন পণ্যগুলো ওই নারীর কাছ থেকে নিচ্ছিলাম তখন হাতে কোনো গ্লাভস ছিল না। তিনি জানান, পণ্য নেওয়ার পর থেকেই তিনি কাশি, জ্বর, গন্ধের সমস্যা, শরীরব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। পরে পরীক্ষা করা হলে ধরা পড়ে করোনা।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

নতুন আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজের সাথে যুক্ত থাকুন- ক্লিক করুন

করোনা মোকাবেলায় ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতির উদ্যোগ

করোনা মোকাবেলায় ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতির উদ্যোগ

করোনাভাইরাসে থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। বিশ্বজুড়ে আজ আতঙ্ক। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে একুশ লাখ চুরাশি হাজার সাতশত চৌদ্দ জন। মারা গেছেন এক লাখ ছেচল্লিশ হাজার আটশত আটানব্বই জন। বাদ যায়নি নানা সমস্যায় জর্জরিত ছোট্ট ঘনবসতিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। দেশটিতে এরইমধ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০০ ছাড়িয়েছে এবং মৃত্যুর সংখ্যাও ৫০ ছাড়িয়েছে। ভাইরাস থেকে বাঁচতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা লকডাউন করা হয়েছে। ফলে বেশি বিপাকে পড়েছে দিন এনে দিন খাওয়া হতদরিদ্র নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

করোনাভাইরাস দুর্যোগের কারণে গেল মাসে সরকার বন্ধ ঘোষণা করে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও। ছুটি পেয়ে নিজ এলাকায় চলে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। তবে নিজ এলাকায় এসে বসে থাকেননি সনজিত। দেশের ক্রান্তিলগ্নে নিজ এলাকার গরিব-দুঃখী, বিপাকে পড়া মানুষদের জন্য নিয়েছেন নানা উদ্যোগ।

সম্মিলিত ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি :

মানবিক বিভিন্ন ব্যক্তিদের সহায়তা এবং ব্যক্তিগত অর্থের সমন্বয়ে দিয়ে সনজিত নিয়েছেন ত্রাণ বিতরণের উদ্যোগ। গৌরীপুর পৌর শহর এবং উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের ভ্যানচালক, রিকশাচালক, দিনমজুর হতদরিদ্রদের মাঝে ইতোমধ্যে ত্রাণ বিতরণ কার্য সম্পন্ন করেছেন তিনি। এমনকি রাতের আঁধারে মোটরসাইকেল যোগে গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন। তার লক্ষ্য গৌরীপুরের ২০০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা।

জয় বাংলা বাইসাইকেল সার্ভিস :

দেশের এই দুর্যোগময় সময়ে ঘরে অবস্থান করা সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। এসব ভেবে সচেতন কয়েকজন তরুণ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী নিয়ে সনজিত গৌরীপুর পৌর শহরে জয়বাংলা বাইসাইকেল সার্ভিস চালু করেছেন। বাজার থেকে কিনতে হবে এমন কোনো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যদি ক্রয়ের প্রয়োজন হয় তাহলে ফোন দিলেই সার্ভিসটির কর্মীরা বিনাপারিশ্রমিকে একদম বাসায় গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন পণ্য। 

জরুরি ঔষধ:

করোনা দুর্যোগের জন্য রাতে বন্ধ হয়ে যায় গৌরীপুর পৌর শহরের সব ফার্মেসি। আর তাই স্বল্প পরিসরে কয়েকটি প্রাথমিক ঔষধ এসএমসি ওরস্যালাইন-এন, নাপা,সিটিজি বিনামূল্যে  সরবরাহ করছেন সনজিতসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী।

দেশের এই দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে নিজ এলাকার মানুষের জন্য নেওয়া নানা উদ্যোগের ব্যাপারে সনজিত চন্দ্র দাস কালের কণ্ঠকে বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সকলের সহযোগিতায় আমার নিজ এলাকা গৌরীপুরের অসচ্ছল পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমাদের টার্গেট গৌরীপুরের ২০০০ অসচ্ছল পরিবারকে সহযোগিতা করা। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অসচ্ছল ভাই-বোনদের পরিবারের পাশে সাধ্যমত সহযোগিতার চেষ্টা করছি। মানবিক কাজে সহযোগিতার জন্য যে সকল শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিদের সহযোগিতা পেয়েছি আমি তাদের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি। বর্তমান সংকটের মুহূর্তে সারা দেশব্যাপী অসংখ্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ভাই বোনেরা অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। একজন মুজিব সৈনিক হিসেবে আমি তাদেরকে স্যালুট জানাই।

Check Also

Government has not taken any decision to hold HSC exams’

HSC and equivalent examinations were supposed to start from April 1. Due to the Corona …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *